
এম মুরশীদ আলী :
জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, নির্ভুল ও জনবান্ধব কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য করণীয় শীর্ষক কর্মশালা গত ১৭ জুন দিনব্যাপীউপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।কর্মশালায় প্রধান অতিথি ও মুখ্য আলোচক হিসেবে বিশদ আলোচনা করেন স্থানীয় সরকার খুলনার উপ-পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন- শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করতে হবে। এ কারণে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন টার্গেট দেওয়া থাকে যে, এক মাসের মধ্যে কতজন জন্মগ্ৰহন করেছেন এবং কতজন মৃত্যুবরণ করেছে তা নিবন্ধন করাটাই টার্গেট পূরণ হবে। এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কাজ গতিসম্পন্ন ভাবে চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ রোধে ইউনিয়ন পরিষদ সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন শুধু একটি প্রশাসনিক কার্যক্রম নয়, এটি একজন নাগরিকের রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের ভিত্তি। একটি শিশুর জন্মের পর নির্ধারিত সময়ে সঠিক হালনাগাদ নিবন্ধন তথ্য সরকারের পরিকল্পনা প্রণয়ন জনসেবা প্রদান এবং জাতীয় তথ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, নিবন্ধক, প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সকলকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে।রূপসা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। এসময় তিনি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং সেবার মানোন্নয়নে সকলের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন- রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম নন্দু, ইলিয়াজ হোসেন, জিয়াউল ইসলাম গাজী, মাসুম বিল্লাহ, ইউপি সদস্য ফিরোজ মাহমুদ, ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সৌমিক রায়, প্রদীপ কুমার সাহা, মোঃ শামীমুজ্জামান, শেখ আলমগীর হোসেন, মোঃ নাছির উদ্দীন প্রমুখ। কর্মশালায় বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।কর্মশালা শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন প্রধান অতিথি।
